
Blog Details

Wired vs. Wireless Microphones: Which is Better for Motovlogging in BD? (2026 Comparison)

Rayhan farazi
Published on Sat Feb 14 2026
Views: 10
"ভিডিও ফোর-কে (4K) হলেও লাভ নেই, যদি বাতাসের শব্দে আপনার কথাই না শোনা যায়!"
মটো-ভ্লগিংয়ের (Motovlogging) ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো—উইন্ড নয়েজ (Wind Noise)। হেলমেটের ভেতর বাতাসের শোঁ শোঁ শব্দের কারণে অনেক সময় ভ্লগারের কথা অস্পষ্ট হয়ে যায়।
নতুন ভ্লগাররা প্রায়ই কনফিউজড থাকেন—"আমি কি ৮০০ টাকার তারযুক্ত (Wired) বয়া মাইক কিনব, নাকি ৫০০০+ টাকার তারবিহীন (Wireless) মাইক কিনব?"
আজকের ব্লগে আমরা এই দুই ধরণের মাইকের সুবিধা-অসুবিধা বিশ্লেষণ করব, যাতে আপনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
1. Wired Microphones (তারযুক্ত মাইক): দ্য বাজেট কিং
বাংলাদেশে ৯০% মটো-ভ্লগার তাদের যাত্রা শুরু করেন BOYA BY-M1 বা Maono-এর মতো ল্যাভালিয়ার (Lavalier) মাইক দিয়ে।
সুবিধা (Pros):
কম দাম: মাত্র ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে ভালো মানের অডিও পাওয়া যায়।
হেলমেট সেটআপ: মাইকটি ছোট হওয়ায় হেলমেটের গালের প্যাডিংয়ের (Cheek Pad) ভেতরে লুকিয়ে রাখা সহজ। মুখের খুব কাছে থাকে বলে বাতাসের শব্দ কম ঢোকে।
ব্যাটারি টেনশন নেই: ফোনের সাথে লাগালে ব্যাটারি লাগে না। ক্যামেরায় লাগালেও এর ছোট ব্যাটারি মাসের পর মাস চলে।
অসুবিধা (Cons):
তারের জঞ্জাল: হেলমেট থেকে ক্যামেরা পর্যন্ত লম্বা তার ঝুলে থাকে, যা অনেক সময় বিরক্তিকর।
2. Wireless Microphones (তারবিহীন মাইক): আধুনিক সমাধান
বর্তমানে DJI Mic 2 বা Rode Wireless-এর মতো দামী মাইকগুলো খুব জনপ্রিয় হচ্ছে। তবে সস্তা ওয়্যারলেস (যেমন K9/K8) মটো-ভ্লগিংয়ে খুব একটা কাজে আসে না।
সুবিধা (Pros):
ফ্রিডম: কোনো তারের ঝামেলা নেই। আপনি বাইক থেকে নেমেও দূরে গিয়ে ব্লগিং করতে পারবেন।
ক্লিন সেটআপ: দেখতে খুব স্মার্ট ও গোছানো লাগে।
অসুবিধা (Cons):
সাইজ ও কমফোর্ট: ওয়্যারলেস ট্রান্সমিটারগুলো আকারে একটু বড় হয়। টাইট হেলমেটের ভেতর এটি সেট করা কষ্টকর এবং কানে চাপ লাগতে পারে।
বাতাসের শব্দ: যদি ট্রান্সমিটারটি সরাসরি হেলমেটের মুখের কাছে রাখেন, তবে এটি প্রচুর বাতাসের শব্দ ক্যাপচার করে।
দাম: ভালো মানের ওয়্যারলেস সেটআপ করতে ১৫,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে।
তুলনামূলক পার্থক্য (Comparison Breakdown)
নিচে দুই ধরণের মাইকের প্রধান পার্থক্যগুলো তুলে ধরা হলো:
১. দাম (Price in BD):
Wired Mic (যেমন: BOYA M1): খুব কম, মাত্র ৮০০ থেকে ১,৫০০ টাকার মধ্যে।
Wireless Mic (যেমন: DJI/K9): বেশি, সাধারণত ২,০০০ থেকে শুরু করে ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত।
২. বাতাসের শব্দ (Wind Noise Control):
Wired Mic: হেলমেটের প্যাডিংয়ের ভেতরে লুকিয়ে রাখা যায়, তাই বাতাসের শব্দ খুব কম ঢোকে।
Wireless Mic: ট্রান্সমিটারটি সরাসরি হেলমেটের মুখে থাকলে বাতাসের শব্দে অডিও নষ্ট হতে পারে।
৩. আরাম (Comfort inside Helmet):
Wired Mic: মাইকটি খুব ছোট (পিচ্চি) হওয়ায় হেলমেট টাইট হলেও কানে বা গালে চাপ লাগে না।
Wireless Mic: ট্রান্সমিটার আকারে একটু বড় ও মোটা হওয়ায় হেলমেটের ভেতর সেট করলে কানে ব্যথা হতে পারে।
৪. সেটআপ (Setup Cleanliness):
Wired Mic: হেলমেট থেকে ক্যামেরা পর্যন্ত তার ঝুলে থাকে, যা দেখতে একটু অগোছালো লাগতে পারে।
Wireless Mic: কোনো তার নেই, সেটআপ দেখতে খুব স্মার্ট এবং প্রফেশনাল লাগে।
Final Verdict: আপনার কোনটি কেনা উচিত?
নতুনদের জন্য (Beginners): চোখ বন্ধ করে Wired Microphone (BOYA BY-M1) কিনুন। এটি সস্তা, এর অডিও কোয়ালিটি দুর্দান্ত এবং হেলমেটের ভেতর সেট করা খুব সহজ। শুরুতে হাজার হাজার টাকা খরচ করার প্রয়োজন নেই।
প্রফেশনালদের জন্য (Pros): আপনি যদি বাইক থেকে নেমেও ভ্লগ করেন বা সিনেমাটিক শট নেন, তবে High-End Wireless Mic নিতে পারেন। তবে হেলমেটের ভেতর লাগানোর জন্য এক্সট্রা ছোট ল্যাভালিয়ার মাইক ব্যবহার করাই বুদ্ধিমানের কাজ।
Home Shop BD-তে আপনারা পাচ্ছেন অরিজিনাল BOYA মাইক এবং ভ্লগিং অ্যাক্সেসরিজ। নকল পণ্য থেকে সাবধান থাকুন!
🛒 অরিজিনাল মাইক অর্ডার করুন: www.homeshopbd.com
📞 পরামর্শের জন্য: 01910903717



